আগুনের শরীর – ভালোবাসার গল্প

আগুনের শরীর ভালোবাসার গল্প

আজকের আগুনের শরীর ভালোবাসার গল্প টি হচ্ছে একটি রুপকথার দেশের ভালোবাসার গল্প যেই ভালোবাসার গল্পে রয়েছে এক প্রতিশোধের কাহিনী যা যে কনো সাধারন মানুষকে কাঁদাতে পারে। চলুন তাহলে আজকের ভালোবাসার কষ্টের গল্প শুরু করি

আগুনের শরীর – ভালোবাসার গল্প

আগুনের শরীর ভালোবাসার গল্প
আগুনের শরীর ভালোবাসার গল্প

অনেক দিন আগের কথা। তখন মিশরের রাজা ছিলেন তাহের খান। তাহের খান ছোট বেলা থেকেই মানুষ হিসেবে ছিলেন খুবই রাগী। তার এই মাত্রাতিরিক্ত রাগ তার মধ্যে দুনিয়ার সবচেয়ে খারাপ একটা গুন তৈরী করে। সেই গুনটা হচ্ছে মানুষ হত্যা করা।

তাহের খানের বয়স যখন ১৩ বছর তখন সে রাজা হয়নি। মিশরের একমাত্র রাজকুমার ছিলো তাহের। রাজ্যের সব প্রজারা ওকে ভয় পেতো কারন তারা জানতো যে তাহের অপছন্দ হয় এমন কাজ করা যাবে না, করলে কঠিন শাস্তি পেতে হবে।

তাহেরের বয়স যখন ১৫ বছর তখন তার বাবা রাসেদ খান মারা যান এক কঠিন অসুখে। তারপর ১৫ বছর বয়সেই মিসরের রাজা হলেন তাহের খান।

একদিন তাহের ঘুরতে বের হলো। ঘোড়ায় চড়ে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছিলো তাহের। হঠাত তাহেরর চোখে পরলো এক সুন্দরি মহিলা। ঐ মহিলার বয়স হয়তো ২৫ বছর এর মতো হবে। আর তাহেরের বয়স তখন ১৭ বছর।

তাহের তার সাথে থাকা সৈন্যদের আদেশ করলো ঐ সুন্দরী মহিলাকে ডেকে আনতে। সুন্দরী মহিলা তাহেরের সামনে এলো এবং সম্মানের সাথে কথা বললো যেমনটা সবাই রাজার সাথে করে।

তাহের খুব বেশি কথা না বাড়িয়ে ঐ মহিলাকে বিয়ের প্রস্তাব দিলো। ঐ সুন্দরী মহিলা কান্না করতে করতে তাহেরের পা ধরে বললো, আমাকে মাফ করে দিন, আমার বিয়ে হয়ে গেছে, আমার পেটে ৩ মাসের সন্তান আছে। আমাকে মাফ করে দিন।

তাহেরের প্রচন্ড রাগ উঠলো তার পছন্দের মেয়েটির বিয়ে হয়ে গেছে বলে। ঠিক এমন সময় ঐ সুন্দরী মেয়ের স্বামী ওকে খুঁজতে খুঁজতে চলে এলো। এসে তার স্ত্রীকে কাঁদতে দেখে কান্নার কারন জানতে চাইলো।

তখন রাজার এক সৈন্য বললো যে, রাজার তোমার স্ত্রীকে পছন্দ হয়েছে। এই কথা শুনে হয়তো কোনো স্বামীরই মাথা ঠিক থাকবে না। ঐ সুন্দরী মহিলার স্বামী রাজাকে উদ্দেশ্যে করে বললো, আমি তোর শরীর থেকে তোর মাথাটা আলাদা করে দিবো শয়তান রাজা।

কথাটা শুনে রাগী তাহেরের রেগে আগুন হয়ে গেলো, আর তলোয়ারের এক আঘাতে সুন্দরী মহিলার স্বামীর মাথাটা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিলো।

সুন্দরী মহিলা তার স্বামীকে নিজের চোখের সামনে এভাবে খুন হতে দেখে আর সহ্য করতে পারলো না। স্বামীর মরদেহর সামনে পরে থাকা একটি তলোয়ার দিয়ে নিজের পেটে ঢুকিয়ে দিলো। আর সেই সাথে মৃত্যু হলো সেই শিশুটির ও যে এখনো মায়ের পেটেই আছে, যে এখনো দুনিয়াতে জন্মই নেয় নি।

তাহের এই ঘটনা দেখে অনেক ভেঙ্গে পড়লেন। তিনি মনে মনে অনেক কষ্ট পেয়েছেন যে তার জন্য এমন একজনের মৃত্যু হলো যে দুনিয়ার মুখটাই দেখতে পারেনি। তাহের ছিলো অনেক রাগী। সে অনেক মানুষ মেরেছিলো বিভিন্ন কারনে, তবে ছোটদের প্রতি তার অনেক মায়া ছিলো অনেক আগে থেকেই। তাহের কখনো এমন কাউকে মারেনি যে তার কোনো ক্ষতি করেনি।

ঐ সুন্দরী মহিলার স্বামী যদি তাহেরকে হত্যার হুমকি না দিতো তাহলে হয়তো এই ঘটনা টা ঘটতো না। আর সুন্দরী মহিলাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়ার আগে তাহের জানতো না যে সে বিবাহিত। জানলে অবশই বিয়ের প্রস্তাব দিতো না সে।

যাই হোক, মানুষের রাগ সব সময় নিয়ন্ত্রণে রাখা উচিত। তা না হলে রাগের মাথায় মানুষ এমন কিছু করে বসে যার জন্য তাকে ফল ভোগ করতে হয় সারা জীবন ভর।

এরপরে অনেকটা সময় কেটে গেলো। তাহেরর বয়স ২১ বছর। সে একটি সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করলো। বিয়ের ২ বছর হয়ে গেছে কিন্তু তাহের এখনো সন্তানের মুখ দেখেনি। তাহের অনেক কিছু করলো, অনেক চিকিৎসা করালো তার স্ত্রীকে। কিন্তু কোনো ভাবেই সন্তানের মুখ দেখতে পেলো না সে।

অবশেষে এক প্রজার কথায় তাহের গেলো এক যাদুকরের কাছে। সেই যাদুকর কে ছিলো জানেন? সেই যাদুকর ছিলো সেই সুন্দরী মহিলার বাবা যে নিজের জীবনকে নিজের হাতে শেষ করে দিয়েছিলো কারন তাহের তার স্বামীকে মেরে ফেলেছিলো তারই চোখের সামনে।

যাদুকর তাহরকে দেখে জিজ্ঞেস করলো, রাজা, আপনার কি মনেহয় আপনি কখনো এমন কোনো পাপ করেছে যার জন্য আল্লাহ আপনাকে সন্তান দান করেছেন না? তাহের বললো, হ্যা, আমি করেছিলোম এমন একটি পাপ। কিন্তু আমি সেই জন্য লজ্জিত। আমার আর কি করার আছে? কি করতে পারি আমি পাপ থেকে মুক্তি পাবার জন্য। কোনো উপায় কি নেই?

যাদুকর বললো, মানুষ হত্যা করা এমন একটি পাপা যেই পাপের কোনো ক্ষমা হয়না কখনো যদি না আল্লাহ অশেষ রহমতে ক্ষমা করেন।

তাহের হাসতে হাসতে বললো, আপনি যাদুকর হয়ে আল্লাহর কথা বলছেন, যাদু করা যে অনেক বড় একটা পাপ সেটা কি আপনি জানেন না? এই পাপের ও তো কোনো ক্ষমা নেই।

যাদুকর বললো, আমি তো যাদুকর নই। আমি সাধারন মানুষ। তবে অসাধারণ কিছু করতে পারি বলে সবাই আমাকে যাদুকর বলে।

তাহের বললো, আপনি কি পারবেন আমার স্ত্রীর কোলে একটি ছেলে সন্তান এনে দিতে?

যাদুকর বললো, সব কিছু দেয়ার মালিক আল্লাহ। আমি শুধু দোয়া করতে পারি আল্লাহর কাছে। আপনি আর আপনার স্ত্রী দুইজন মিলে আজকে গভীর রাতে ২ রাকার নফল নামাজ পড়ে এক বিছানায় রাত কাটাবেন। আল্লাহর ইচ্ছা হলে খুব তাড়াতাড়িই আপনি ছেলে সন্তানের বাবা হবেন।

যাদুকরের কথা মতো কাজ করলো তাহের আর অবশেষে ছেলে সন্তান হলো তাহেরের। তাহের অনেক খুশি হয়ে সেই যাদুকরের কাছে গেলো অনেক দামী দামী হীরা, মনি, মুক্তা ও স্বর্ণের মুদ্রা নিয়ে।

তাহের যাদুকরের গুহার ভেতরে ঢুকে দেখলে যাদুকর কাঁদছে। তাহের অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো, আপনি কাঁদছেন কেনো! কি লাগবে আপনার? আমাকে বলুন, আমি আপনার সব প্রয়োজন আপনার সব ইচ্ছা পূরণ করবো।

যাদুকর কাঁদতে কাঁদতে বললো, আমার তো আমার মেয়ে মেয়ের জামাই আর তাদের সন্তানকে চাই। দিতে পারবেন?

তাহের বললো, কোথায় আপনার মেয়ে? নাম কি তার? এখনো কোথায় সে? আমাকে বলুন, আমি যে কোনো ভাবেই হোক আপনার মেয়ে, মেয়ের জামাই আর তাদের সন্তানকে খুঁজে আনবো।

যাদুকর বললো, তারা আর এই দুনিয়াতে নেই খুনি রাজা তাহের। মনে আছে সেই দিনের কথা যেই দিন আমাকে মেয়ের জামাইকে হত্যা করেছিলে তুমি তোমার হাতের এই তলোয়ার দিয়ে? স্বামীর মৃৃত্যু সহ্য করতে না পেরে আমার মেয়ে ও নিজেকে শেষ করে দিয়েছিলো যার পেটে ছিলো আমার বংশধর, আমার একমাত্র মেয়ের সন্তান।

তাহের বুঝতে পারলো যাদুকর আসলে কে। সে হচ্ছে সেই সুন্দরী মেয়ের বাবা। তাহের যাদুকরের পায়ে পরে ক্ষমা চাইলো। সে ভুল করেছে। কিন্তু যাদুকর তাকে ক্ষমা করলো না।

তাহের যাদুকরকে জিজ্ঞেস করলো, যদি সে তাকে ক্ষমাই না করে তাহলে কেনো সে তার সন্তান হবার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করলো!

যাদুকর রাজাকে উত্তর দিলো, তোমার যদি সন্তানই না হয় তাহলে তুমি কিভাবে বুঝবে সন্তান হারানোর যন্ত্রণা কেমন হয়!

রাজা তাহের রাজ প্রাসাদে চলে এলো। অনেক ভেবে তিনি ঘোষণা করলেন যে রাজকুমার যেনো কখনো রাজপ্রাসাদের বাইরে না যায়। আর রাজকুমার যেনো কোনো যুদ্ধে অংশগ্রহন না করে যতোদিন তিনি বেচে থাকবেন।

রাজা তাহের তার ছেলে এবং মিশরের একমাত্র রাজকুমারের নাম দিলেন আলী খান। আলী খান আস্তে আস্তে বড় হতে লাগলো। আলী খান ছিলো তাড় বাবা তাহের খানের ঠিক বিপরীত। যেখানে তাহের খান রাগ উঠলেই আগে মানুষ হত্যা করতো সেখানে আলী খান এতোটাই দয়ালু ছিলো যে কেউ ব্যথা পেলে সে সহ্য করতে পারতো না। কারো কষ্ট দেখেলেই তার চোখে পানি চলে আসতো।

আলী খানের বয়স এখন ১৯ বছর। সে কখনো রাজ প্রাসাদের বাইরে যায়নি। অনেক বার যেতে চেয়েছিলো কিন্তু ওর বাবা রাজা তাহের ওকে যেতে দেয়নি কারন তাহেরর মনে ভয় ছিলো আলীকে হারিয়ে ফেলার। তাহের এখনো স্পষ্ট মনে আছে যাদুকর যে বলেছিলো, “সন্তান না হলে সন্তান হারানোর কষ্টটা বুঝবে কি করে!”

কিন্তু আলী লুকিয়ে লুকিয়ে রাজ প্রাসাদের বাইরে যেতো।  এক সময় আলীর নজরে পরে রাজ্যের এক সুন্দরী মেয়ের দিকে। সে ঐ মেয়েকে বিয়ে করতে চায়।

আলীর মা জানতো যে আলী রাজ প্রাসাদের বাইরে যায়, কারন আলীর মা ই তো আলীকে রাজ প্রাসাদের বাইরে যেতে সাহায্য করতো। হয়তো আলীর মা ও আলীকে রাজ প্রাসাদের বাইরে যেতে দিতো না যদি সে জনতো যে তাদের একমাত্র সন্তান আলী মারা যাবে তাদের জীবিত থাকা অবস্থায়।

আলী ওর মাকে এসে ওর পছন্দের মেয়ের কথা জানায়। আলীর মা ওকে বলে যে, আমার ছেলের পছন্দই আমার পছন্দ। তুই আমাদের বউমা যে রাজ প্রাসাদে নিয়ে আয়, আমি তোর বাবাকে রাজি করাবো।

আলী তো অনেক খুশি। মায়ের মত পেয়ে সে ঐ মেয়ের সাথে আস্তে আস্তে সম্পর্কে জড়াতে থাকে। মেয়েটির নাম রুবিয়া। রুবিয়া আর আলী প্রায় প্রতিদিন দেখা করে। আস্তে আস্তে ওদের প্রেম অনেক গভীর হয়ে যায়।

এক সময় রুবিয়ার বাবা খেয়াল করে যে তার মেয়ে রাজকুমারের সাথে সম্পর্কে জড়িয়েছে। রুবিয়ার বাবা ওকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে রাজকুমারের কথা। রুবিয়া লজ্জায় লজ্জায় বাবাকে বলে যে সে রাজকুমারকে পছন্দ করে। আর রাজকুমার ও তাকে পছন্দ করে।

রুবিয়ার বাবা রেগে আগুন হয়ে যায়। সে কোনো ভাবেই রাজকুমারের সাথে রুবিয়ার বিয়ে দিবে না, এটা জানিয়ে দেয় রুবিয়াকে। রুবিয়া কোনো ভাবেই রাজকুমারকে ছাড়া থাকতে পারে না, সে লুকিয়ে লুকিয়ে গিয়ে রাজকুমার আলীর সাথে দেখা করে।

আর এটাও টের পেয়ে যায় রুবিয়ার বাবা, তাই রুবিয়ার বাবা রুবিয়াকে ঘরে বন্দি করে রাখে। রুবিয়া যখন রাজকুমারের সাথে দেথা করতে আসে নি, তখন রুবিয়ে বুঝতে পেরেছিলো যে রুবিয়ার বাবা হয়তো ওকে আসতে দিচ্ছে না, কারন রুবিয়া রাজকুমার আলীকে বলে দিয়েছিলো যে তার বাবা রাজকুমারের সাথে বিয়ে দিবে না তাকে।

আলী কোনো ভাবে রুবিয়াদের বাসায় গিয়ে রুবিয়াকে নিয়ে পালিয়ে আসে আলীর মা এর কাছে। আলীর মার খুব পছন্দ হয়েছে রুবিয়াকে। সে ঠিক করে যে রুবিয়ার সাথে আজকেই বিয়ে দিবে আলীর আর বিয়ে হয়ে গেলে রুবিয়ার বাবা ও মেনে নিবেন সবটা।

তবে আলীর মা এর কাছে অনেক অবাক লাগে এটা শুনে যে রুবিয়ার বাবা কেনো আলীর মতো রাজকুমারের সাথে নিজের মেয়ের বিয়ে দিতে চায় না যেখানে সব বাবাই চায় তার মেয়ের বিয়ে কোনো রাজকুমারের সাথে হোক।

যাই হোক, আলীর মা রাজা তাহেরকে রাজী করিয়ে আলীর সাথে রুবিয়ার বিয়ে দিয়ে দিলেন আর রুবিয়ার বাবাকে সম্মানের সাথে রাজপ্রাসাদে আমন্ত্রণ পত্র পাঠালেন।

আজকে বিয়ের পরে প্রথম রাত আলী আর রুবিয়ার। তারা মনের আনন্দে বাসর ঘরে গেলো। অন্যদিকে রুবিয়ার বাবা রাজকুমার আলীর সাথে মেয়ের বিয়ে নিমন্ত্রণ পেয়ে ছুটে চলে এলেন রাজা তাহেরের কাছে।

রাজপ্রাসাদে এসেই রাজা তাহেরর সামনে কান্নায় ভেঙ্গে পরলেন রুবিয়ার বাবা। রাজা তাহের তার ছেলের শশুরকে কাঁদতে দেখে অবাক হয়ে কান্নার কারন জিজ্ঞেস করলেন।

রুবিয়ার বাবা বললেন, আমার সব শেষ হয়ে গেলো, অনেক দিন আগে আমি এক যাদুকরের সন্তানকে পুড়িয়ে মেরেছিলাম ভুল করে। ঐ যাদুকর আমাকে অভিশাপ দিয়েছিলো যে যার সাথে আমার মেয়ের বিয়ে হবে সে বিয়ের দিন রাতেই আগুনে ঝলসে মারা যাবে। এরপর আমি যখন জানতে পেরেছিলাম যে আমার মেয়েকে রাজকুমার পছন্দ করে তখন থেকেই আমি আমার মেয়েকে ঘরে বন্দি করে রেখেছিলাম। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না।

রাজা তাহের এই কথা শুনে দৌড়ে যান ছেলের বাসর ঘরের দিকে। গিয়ে দেখেন ঘরের দরজা খোলা। মাটিতে পরে আছে আলী আর রুবিয়ার পুড়ে যাওয়া শরীর।

রাজা তাহের ঘরের দরজার সামনে বসেই তার সেই পাপের কথা ভাবছেন যেই পাপের কারনে তার চোখে সামনে আজকে তার একমাত্র ছেলে আলীর লাশ।

আর আলীর মা ছেলের মৃত্যুর শোক মেনে নিতে না পেরে মারা যান।

রাজা তাহের ধিরে ধিরে স্ত্রী ও ছেলেকে হারানোর শোকে পাগল হয়ে যান। কিছুদিন পরে মারা যান।

এখনো সবার কাছে অজানা কিভাবে ঘরের ভেতরে আগুন লেগেছিলো আলী আর রুবিয়ার শরীরে, তবে রাজপ্রাসাদের একজন দাসী বলেছিলো সে দেখেছে। সে লুকিয়ে ছিলো তাদের বাসর ঘরে। যখন আলী আর রুবিয়া বাসর ঘরে একে অপরের কাছে এসে জড়িয়ে ধরেছিলো তখনই হঠাত তাদের শরীরে আগুন লেগে যায়। তাদের শরীরে আগুন লাগার পরে ও তারা আগুন লেভানোর চেষ্টা করেনি, তারা একে অপরকে জড়িয়েই ধরে ছিলো যতোক্ষন তাদের শরীরে আগুন জ্বলছিলো। এরপর আগুন নিভে গেলে তারা মাটিতে পরে যায় আর এমন একটা দৃশ্য দেখার পরে সেই দাসী ভয় পেয়ে ঘর থেকে পালিয়ে যায়, আর তাই ঘরের দরজা খোলা ছিলো।

তবে এখনো অজানা কি কারনে আর কিভাবে আগুন লেগেছিলো রাজকুমার আলী খান ও রুবিয়ার শরীরে। আর তারা কেনই বা নিজেদের বাচাতে চেষ্টা করেনি!

 

 

আগুনের শরীর bangla golpo টি কোনো সত্যি কাহিনী না। এটি হচ্ছে কল্পনা জগতের কাহিনী আর সম্পূর্ণ আগুনের শরীর valobasar golpo টি লেখা হয়েছে কল্পনা করে। তাই কোনো ভাবে যদি aguner shorir valobashar golpo টি কোনো ইতিহাস বা কোনো ঘটনার সাথে মিলে যায় তাহলে সেটা হবে অবাক করার মতো একটি বেপার কারন এই romantic bangla love story এর লেখকের এই রকম কোনো কাহিনী বা ইতিহাস জানা নেই।

আশা করি আগুনের শরীর bengali golpo আপনাদের সবার ভালো লেগেছে। আগুনের শরীর এর মতো নতুন bhalobashar golpo আরো পেতে চাইলে আমাদের ওয়েবসাইটে চোখ রাখুন। আগুনের শরীর গল্পটি যদি bangla premer golpo হিসেবে আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে আমাদের লেখা এই bangla valobashar golpo টি সার্থক।

আগুনের শরীর bangla sad love story হিসেবে আপনাদের মনে জায়গা করে নিতে পারবে বলেই আমাদের ধারণা। আরো new bangla romantic story পেতে অবশ্যই আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন। আমরা আপনাদের জন্য নিয়ে আসবো আরো romantic golpo আর bangla romantic golpo এর একটা বড় ভান্ডার আমরা বানাবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *