কালো গণ্ডারের কি তাহলে বিলুপ্ত হয়ে গেলো পৃথিবী থেকে ???

কালো গণ্ডারের কি তাহলে বিলুপ্ত হয়ে গেলো পৃথিবী থেকে

কালো গণ্ডারের কি তাহলে বিলুপ্ত হয়ে গেলো পৃথিবী থেকে এমন প্রশ্ন অনেকে মনেই জাগতে পারে। কারন হচ্ছে স্থানান্তরের সময় একসাথে ১০ টি বিলুপ্ত প্রায় কালো গণ্ডার মারা গেছে! চলুন বিস্তারিত জেনে নেই।

কালো গণ্ডারের কি তাহলে বিলুপ্ত হয়ে গেলো পৃথিবী থেকে ???

কালো গণ্ডারের কি তাহলে বিলুপ্ত হয়ে গেলো পৃথিবী থেকে
কালো গণ্ডারের কি তাহলে বিলুপ্ত হয়ে গেলো পৃথিবী থেকে

বর্তমানে আফ্রিকায় খুব কম সংখ্যায় দেখা যেতো এই বিলুপ্তপ্রায় প্রানী কালো গন্ডার। তাই কেনিয়ার সরকার এই কালো গণ্ডারগুলোকে বাঁচাতে একটি ওয়াইল্ড লাইফ পার্কে ১১ টি গন্ডারকে স্থানান্তর করে।

কিন্তু বাঁচাতে গিয়ে উল্টো বিরাট বড় ক্ষতি হয়ে গেলো, ১০ টি গন্ডার একসাথে মারা গেছে। এভাবে এতো সংখ্যক বিলুপ্তপ্রায় গন্ডার মারা যাবার ঘটনাকে জাতীয় দুর্যোগ বলছেন প্রাণী সংরক্ষণবাদীরা।

ওয়াইল্ড লাইফ পার্কের কর্তৃপক্ষ বলেছে যে সিংহের আক্রমনে মারা গেছে গন্ডার গুলো। তবে দেশটির ওয়াইল্ড লাইফ মন্ত্রী নাজিব বালালা বলেছেন যে গণ্ডারগুলোর নতুন বাসস্থানে লবনাক্ত পানিতে ভারসাম্য সল্ট পয়জনিং এর কারনে কালো গন্ডারগুলোর উপর অনেক ধকল গেছে।

আর এই জন্যই বিলুপ্তপ্রায় প্রানি কালো গণ্ডারগুলো মারা গেছে, এমন তথ্যই উঠে এসেছে প্রাথমিক অনুসন্ধানে।

কালো গণ্ডার স্থানান্তরে অবহেলার প্রামান পাওয়ায় ওয়াইল্ড লাইফ সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক কে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া ও কিছু কর্মকর্তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

প্যাথোলজির প্রফেসর পিটার গাথুমবি বলেন যে প্রানীগুলো ডিহাইড্রেশনে ভুগছিলো আর ছিলো অনেক ক্লান্ত। তার উপরে আবার লবণাক্ত পানি পান করানো হয়েছিলো বলে আরো খারাপ অবস্থা হয়েছিলো কালো গণ্ডার গুলো।

আমরা সবাই জানি যে গণ্ডারের শিং অনেক দামী আর বিলুপ্তপ্রায় এই কালো গন্ডারের শিং এর দাম তো আকাশ ছোয়া। তাই প্রতিবছর শিং রফতানির জন্য অনেক কালো গন্ডার মারা হচ্ছিলো।

তবে এই বিলুপ্ত প্রাজাতির কালো গণ্ডারগুলোকে বাঁচাতে গিয়ে আরো বিপদের মুখে পড়লো পৃথিবীতে কালো গণ্ডারের টিকে থাকার লড়াই। এখন দেখার বিষয় যে কিভাবে এদের সংখ্যা বাড়ানো যায় যতোগুলো কালো গন্ডার টিকে আছে তার মধ্যে থেকে।

কালো গণ্ডারের খবর আরো পেতে চোখ রাখুন Bangla News Paper ওয়েবসাইটে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *