মেসির যমজ ভাই ! – ফুটবল বিশ্বকাপ ২০১৮

মেসির যমজ ভাই

মেসির যমজ ভাই আছে! আগে তো জানতাম না! ছবি টা দেখেছেন? কাকে দেখা যাচ্ছে? চিনতে পেরেছেন? হ্যা অবশ্যই। মেসি ছাড়া আর কে হবে! কিন্তু এটা তো মেসি না! তাহলে কে এটা! মেসির যমজ ভাই! চলুন বিস্তারিত জেনে নেই যমজ মেসিকে নিয়ে।

মেসির যমজ ভাই !

মেসির যমজ ভাই
মেসির যমজ ভাই

ছবিটা দেখে প্রায় ৯৯% লোক বলেছে যে এটা মেসি। কিন্তু আসলে এটা মেসি না। তবে আমাদের হেড লাইন দেখে কিন্তু মনে করবেন না যে আসলেই এটা মেসির যমজ ভাই।

উনি মেসি ও না, মেসির যমজ ভাই ও না, এমনকি মেসির মতো করে প্লাষ্টিক সার্জারি ও করেন নি। আসলে উনি আপনার আমার মতোই একজন সাধারণ মানুষ যিনি থাকেন ইরানে।

ছবির পেছনে খেয়াল করলে দেখতে পাবেন যে ইরানের পতাকার একটি অংশ দেখা যাচ্ছে। ইরানের নাগরিক রেজা পারাসতেশ কে আপনারা ছবি তে দেখতে পাচ্ছেন যিনি সাভাবিক ভাবেই দেখতে একেবারেই মেসির মতো।

মেসির মতো চেহারা হবার কারনে তার সাথে সবাই সেলফি তুলতে চায়। একবার তো তার সাথে সেলফি তুলতে গিয়ে রাস্তায় এতো মানুষ জমে ছিলো যে পুরো রাস্তাটাই বন্ধ হয়ে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো।

অবশ্য এই ঘটনার জন্য অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে রেজা পারাসতেশ কে। পুলিশ স্টেশনে যেতে হয়েছিলো, এমন কি তার গাড়িটা ও জব্দ করেছিলো পুলিশ।

ইরানে এই বাসিন্দার চেহারা মেসির সাথে মিলে যাবার কারনে তিনি এতো জনপ্রিয়তা পেয়েছেন যে সেখানে মহাতরকাদের একজন হয়ে গেছেন তিনি।

এটাই হয়তো সাভাবিক। কারন ফুটবল তারকা মেসিকে তো সামনে থেকে দেখা বা সেলফি তো, কোনোটাই সম্ভব না। তাই সবাই মেসির মতো দেখতে কারো সাথে সেলফি তুলি মেসিকে সামনে পাবার একটা অনুভূতি পেতে চায়।

এবার ফুটবল বিশ্বকাপ ২০১৮ তে নিজের দেশ ইরানকে সমর্থন করতে ও খেলা দেখতে রাশিয়া গেছেন তিনি। তবে রেজা পারাসতেশতের উপর আর্জেন্টিনার সমর্থকদের আগ্রহ অনেক বেশি দেখতে মেসির মতো হবার কারনে।

রাশিয়াতে তো তিনি এতোটাই জনপ্রিয় হয়ে গেছেন যে মাঝে মাঝে তাকে সামনে পেছনে পুলিশ নিয়ে হাঁটতে দেখা গেছে।

এছাড়া রাশিয়াতে ও মেসি ভক্তরা তার সাথে সেলফি তুলতে গিয়ে রাস্তা বন্ধ কড়ে ট্রাফিম জ্যাম লাগিয়ে দিয়েছিলো। তবে সেখানকার পুলিশরা তাকে সাহায্য করেছিলো আর খুব ভালো ব্যবহার করেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ ২০১৮ নিয়ে আরো অনেক খবর পেতে থাকুন Bangla News Paper ওয়েবসাইটের সাথে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *