১২ জুন পবিত্র শবে কদর ২০১৮

১২ জুন পবিত্র শবে কদর ২০১৮

১২ জুন পবিত্র শবে কদর ২০১৮ সালে পালন করা হবে। যেহেতু বাংলাদেশের ১৮ মে ২০১৮ থেকে রমজান মাস গণনা শুরু, সেই হিসেবে ১২ জুন ২০১৮ মঙ্গলবার ২৬ রমজান রাতে পালন করা হবে শবে কদর। আরবি মাসের হিসাব অনুযায়ী আগে রাত ও পরে দিন। মানে সন্ধ্যা হলেই নতুন দিন শুরু হয় আরবি মাস অনুযায়ী। চলুন বিস্তারিত জেনে নেই।

১২ জুন পবিত্র শবে কদর ২০১৮

১২ জুন পবিত্র শবে কদর ২০১৮
১২ জুন পবিত্র শবে কদর ২০১৮

২০১৮ সালে পবিত্র শবে কদর পালন করা হবে ১২ জুন মঙ্গলবার রাতে। এটাই হচ্ছে সহজ কথা। অনেকে আরবি মাসের নিয়ম বুঝতে পারেন না, তাই এক কথায় ১২ জুন মঙ্গলবার রাতই শবে কদরের রাত ২০১৮ সালে।

শবে কদরের রাত হচ্ছে এমন একটি রাত যেই রাতের জন্যই রমজান মাসের এতো মর্যাদা। শবে কদরের রাতের এতো মর্যাদা কেনো? অনেকেই আমরা জানি, যারা জানি তা তাদের জন্য বলছি, শবে কদরের রাতেই পবিত্র কোরআন শরীফ নাযিল হয়েছিলো।

শুধু মাত্র কোরআন শরীফ নাযিলের রাতটি রমজান মাসে হওয়াতে পুরো রমজান মাসকেই এতো মর্যাদা দিয়েছে মহান আল্লাহ। কিন্তু আমরা কি কোরআন শরীফ পড়ি?

আমাদের উচিত অর্থ সহ কোরআন শরীফ পড়া। অর্থ সহ পড়ার কথা উঠছে কারন আমরা আরবি ভাষা প্রায় সবাই জানি না কয়েক জন বাদে।

এখন যদি আমরা অর্থ না পড়ে শুধু আরবি পড়ে যাই তাহলে কি আমরা বুঝতে পারবো যে কোরআন শরীফে আল্লাহ কি কি বলেছেন আমাদের উদ্দেশ্যে?

তাহলে কি লাভ হলো যদি বুঝতেই না পারি। কোরআন শরীফ শুধু আরবি পড়লে অবশ্যই অনেক অনেক সাওয়াব পাবেন, কিন্তু সাথে যতটা সম্ভব বাংলা অর্থ ও পড়বেন।

আর যদি আপনি আরবি ভাষা জানেন, তাহলে তো আপনি দুনিয়ার সবচেয়ে ভাগ্যবান মানুষদের মধ্যে একজন। আপনি শুধু আরবি পড়লেই হবে, কারন আপনি তো বুঝতে পারেন আরবি।

আশা করি পবিত্র শবে কদর কতো তারিখে ২০১৮ সালে সেই প্রশ্নের উত্তর সবাই পেয়ে গেছেন। হাজার মাস ইবাদত করে যেই সাওয়াব পাবেন সেই সাওয়াব এই এক রাতে ইবাদত করলেই পাবেন।

মানে রমজান মাস ছাড়া সাধারন অন্য রাতগুলোতে এক রাকআত নামাজ পড়লে এক রাকাআতের সাওয়াবই পাবেন। কিন্তু শবে কদরের রাতে আপনি এক রাকআত নামাজ পড়লে হাজার মাস এক রাকাত নামাজ পড়ার সাওয়াব পাবেন।

আমরা সাধারণত ২৭ রমজানের রাতে শবে কদর পালন করে থাকি। কিন্তু আসলে শবে কদর কবে সেটা আল্লাহ ছাড়া কেউই জানেন না। তবে বলা হয়েছে রমজান মাসের শেষ ১০ রাতের যে কোনো একটি বিজোড় রাত হচ্ছে শবে কদরের রাত।

তাই আমাদের উচিত ২১, ২৩, ২৫, ২৭, ২৯ রমজান রাতে শবে কদর পালন করা।

আর একটা ব্যাপার বুঝিয়ে বলছি। আমরা কিন্তু যেই দিন রোজা রাখি ঐ দিনের রাত হচ্ছে আগের দিনের রাতে। ঝামেলা মনে হচ্ছে? আর একটু বুঝিয়ে বলছি।

আমরা ১ম রমজানের তারাবীহ নামাজ পড়ি আগের দিন রাতে। যেহেতু আরবি মাসের নিয়ম অনুযায়ী রাত আগে আসে, তাই। তার মানে ২১ রমাজানের রাত হচ্ছে ২০ রমজানের ইফতার করার পরের রাত টা।

এভাবেই আরবি মাসের দিন ও রাত গণনা করা হয়ে থাকে। আগে রাত, পরে দিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *